পবিত্র মাহে রমজানের বুনিয়াদি মাসায়েল | todaybd24.com
মঙ্গলবার , ৫ এপ্রিল ২০২২ | ২৫শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আয় করুন
  4. আলোচিত সংবাদ
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্টগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. টিপস
  11. ঢাকা
  12. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. নিউজ
  15. পরিবার
esenler korsan taksi
সর্বশেষ খবর টুডে বিডি ২৪ গুগল নিউজ চ্যানেলে।
   

পবিত্র মাহে রমজানের বুনিয়াদি মাসায়েল

                                           প্রতিবেদক
News Desk
এপ্রিল ৫, ২০২২ ১:০৬ পূর্বাহ্ন

Advertisements

একে একে দুটি রমজান চলে গেল। আজ আমরা তৃতীয় রমজান অতিবাহিত করছি। শুদ্ধ রোজার জন্য চাই বিশুদ্ধ জ্ঞান। আজ তাই আলোচনা করব রোজার বুনিয়াদি কয়েকটি মাসায়েল।

Advertisements
Advertisements
Advertisements

সূরা বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি মাহে রমজান পাবে সে যেন সিয়াম ব্রত পালন করে। ’ এ আয়াতের আলোকে ইসলামী আইনবিদরা বলেন, প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্ক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর রোজা ফরজ। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া প্রথম খণ্ড, ১৯৫ পৃষ্ঠা; রদ্দুল মুহতার দ্বিতীয় খণ্ড, ৩৭২ পৃষ্ঠা। )

Advertisements
Advertisements
Advertisements

রোজা রাখতে হলে নিয়ত করতে হয়।

নিয়ত করা ফরজ। আরবি নিয়ত অর্থ সংকল্প বা ইচ্ছা। রোজা রাখতে ইচ্ছুক ব্যক্তি মনে মনে এ সংকল্প করবে, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রোজা রাখছি। নিয়ত মুখে বলা জরুরি নয়।বুখারির বর্ণনায় রসুল (সা.) বলেছেন, ‘সব আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। ’ (বাদায়েউস সানায়ে দ্বিতীয় খণ্ড, ২২৬ পৃষ্ঠা। )

ফকিহরা বলেন, মাহে রমজানের রোজার নিয়ত রাতেই করা উত্তম। সুনানে আবু দাউদে উম্মুল মুমিনিন হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোজা রাখার নিয়ত করবে না তার রোজা পূর্ণাঙ্গ হবে না। ’ (আলবাহরুর রায়েক দ্বিতীয় খণ্ড, ২৫৯ পৃষ্ঠা। ) তবে যদি রাতে নিয়ত করা সম্ভব না হয় তাহলে দিনে সূর্য ঢলার প্রায় এক ঘণ্টা আগে নিয়ত করলেও রোজা হয়ে যাবে। সালামা ইবনে আকওয়া (রা.) বলেন, আশুরার রোজা যখন ফরজ ছিল তখন রসুলুল্লাহ (সা.) আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তিকে ঘোষণা করতে বললেন, ‘আজ আশুরার দিন! তাই যে সকাল থেকে কিছু খায়নি সে বাকি দিন রোজা রাখবে। আর যে খেয়েছে সেও বাকি দিন খাওয়া থেকে বিরত থাকবে। ’ (বুখারি। ) একবার কিছু লোক সকালে চাঁদ দেখার সাক্ষ্য নিয়ে ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর কাছে এলো। তারা বলল, গতকাল সন্ধ্যায় আমরা মাহে রমজানের চাঁদ দেখেছি। এ কথা শুনে ওমর ইবনে আবদুল আজিজ ঘোষণা করলেন, ‘যে সকাল থেকে কিছু খায়নি সে বাকি দিন রোজা রাখবে। আর যে খেয়েছে সেও বাকি দিন রোজার মতো কাটিয়ে দেবে। ’ (আলমুহাল্লা, ৪র্থ খণ্ড, ২৯৩ পৃষ্ঠা। ) প্রতিটি রোজার নিয়ত আলাদা আলাদা করতে হবে। একত্রে পুরো মাসের রোজার নিয়ত করলে তা যথেষ্ট হবে না। (মাবসূত, তৃতীয় খণ্ড, ৬০ পৃষ্ঠা। ) রাতে রোজার নিয়ত করলেও সুবহে সাদিক পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী-মিলন জায়েজ। এতে নিয়তের কোনো ক্ষতি হবে না। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, রমজানের রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী সম্ভোগ হালাল করা হয়েছে। (সূরা বাকারাহ, আয়াত ১৮৭। ) নিয়তের সময় শুরু হয় আগের দিনের সূর্যাস্তের পর থেকে। যেমন বৃহস্পতিবারের রোজার নিয়ত বুধবার দিবাগত রাত তথা সূর্যাস্তের পর থেকে করা যায়। বুধবার সূর্যাস্তের আগে বৃহস্পতিবারের রোজার নিয়ত করা যথেষ্ট নয়। (আলমুহিতুল বোরহানী তৃতীয় খণ্ড, ৩৪৩ পৃষ্ঠা। )

আরও পড়ুন:  বিদায় হজের ভাষণ

সাহরি খাওয়া সুন্নত। পেট ভরে খাওয়া জরুরি নয়, এক ঢোক পানি পান করলেও সাহরির সুন্নত আদায় হবে। মুসলিম শরিফের হাদিসে রসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সাহরি খাও। কেননা, সাহরিতে বরকত রয়েছে। ’ মুসনাদে আহমাদের বর্ণনায় রসুল (সা.) বলেছেন, ‘সাহরি খাওয়া বরকতপূর্ণ কাজ। সুতরাং তোমরা সাহরি না খেয়ে রোজা রেখো না। এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও সাহরি খেয়ে নিও। যারা সাহরি খায় আল্লাহতায়ালা তাদের ওপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। ’

ফিকহের কিতাবে লেখা আছে, সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময় সাহরি খাওয়া মুস্তাহাব। তবে এত দেরি করা মাকরূহ যে, সুবহে সাদিক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়। মুজামুল আওসাতে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দ্রুত ইফতার করা এবং দেরি করে সাহরি খাওয়া পূর্ববর্তী সব নবীর সুন্নত। মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে আমর ইবনে মায়মুন আল আওদি (রহ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, ‘সাহাবিরা দ্রুত ইফতার করতে এবং দেরি করে সাহরি খেতে পছন্দ করতেন। ’ সূর্যাস্তের পর দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা সুন্নাত। বুখারির বর্ণনায় রসুল (সা.) বলেছেন, ‘যত দিন মানুষ সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করবে তত দিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে। ’ এ ক্ষেত্রে মাগরিব নামাজের আগে ইফতার করা সুন্নাত। খাদেমুর রসুল আনাস ইবনে মালেক (রা.) বলেন, ‘রসুলুল্লাহ (সা.) মাগরিবের নামাজ পড়ার আগে তাজা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। তাজা খেজুর না পেলে শুকনা খেজুর খেতেন। আর তাও না পেলে এক ঢোক পানি খেয়ে ইফতার করতেন। ’ (সুনানে তিরমিজি। ) খেজুর দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব। খেজুর না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করবে। আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যার কাছে খেজুর আছে সে খেজুর দিয়ে ইফতার করবে। খেজুর না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করবে। কেননা পানি পবিত্র। ’ (সুনানে তিরমিজি। )

লেখক : মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী

চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মুফাসসির সোসাইটি

পীর সাহেব, আউলিয়ানগর, www.selimazadi.com

 

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

স্বর্ণপাচারে বিমানের কেউ না কেউ জড়িত : পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ রেলস্টেশনে আওয়ামী লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ, আতঙ্কে অবরুদ্ধ সাধারণ যাত্রীরা

জাতীয় সরকার ফর্মুলা ষড়যন্ত্রকারীদের স্তব্ধ করে দিয়েছে : গয়েশ্বর

ভেনেজুয়েলার তেল ২ বছর পর ইউরোপে যাচ্ছে

মুসলিমদের প্রতি সংহতি জানিয়ে রোজা রেখেছি, ইফতার করেছি: জাতিসংঘ মহাসচিব

তিস্তায় হঠাৎ পানি বৃদ্ধি, ফসলের ক্ষতি 

আমির খসরুর আহ্বান গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে

আলোচনায় জোভান-তানজিন তিশার ‘টোনাটুনি রিসোর্ট’

গাইবান্ধায় ভোট বন্ধ করাকে পরিকল্পিত নাটক বলছেন নুর, জনগণকে কান না দেয়ার আহ্বান

বাংলাদেশের জনগণ তাদের নেতা নির্বাচন করুক বলে দাবী যুক্তরাষ্ট্রের

//grunoaph.net/4/5519413
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
izmit escort kadıköy escort ataşehir escort rize escort uşak escort amasya escort samsun escort ankara escort diyarbakır escort
sincan evden eve nakliyat