‘একদিন মানুষ জানবে সাবরিনা নিরপরাধ ছিল’ | todaybd24.com
বৃহস্পতিবার , ২১ জুলাই ২০২২ | ২৫শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আয় করুন
  4. আলোচিত সংবাদ
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্টগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. টিপস
  11. ঢাকা
  12. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. নিউজ
  15. পরিবার
esenler korsan taksi
সর্বশেষ খবর টুডে বিডি ২৪ গুগল নিউজ চ্যানেলে।
   

‘একদিন মানুষ জানবে সাবরিনা নিরপরাধ ছিল’

                                           প্রতিবেদক
টুডে বিডি ২৪
জুলাই ২১, ২০২২ ৯:১৫ অপরাহ্ন

Advertisements

কোভিড ১৯-এর ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারপারসন ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৮ আসামির ১১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

Advertisements
Advertisements
Advertisements

এ রায় প্রত্যাশিত ছিল না সাবরিনার। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আদালত প্রাঙ্গণে ডা. সাবরিনা চৌধুরী বলেন, ‘আমার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। একটি কথাই বলব। ইন্নাল্লাহা মায়াস সাবিরিন। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই আছেন। একদিন মানুষ জানবে সাবরিনা নিরপরাধ ছিল। আমার আর কিছু বলার নেই।

Advertisements
Advertisements
Advertisements

এ সময় এক আইনজীবী বলেন, আপনি ঠিকই বের হয়ে যাবেন। তখন সাবরিনা বলেন, আমি তো সেদিনই মরে গেছি। যেদিন আমাকে এখানে ঢুকানো হয়েছে। আমি বের হব কিনা সেটি বড় কথা না। বড় কথা হলো দেশবাসী জানল আমি অপরাধী।
মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাদের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। তাদের রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। পরে তাদের আদালতে ওঠানো হয়।
রায়ে কোভিড সনদ জালিয়াতি এবং জাল সনদকে আসল হিসেবে দেখানোর দায়ে দুটি ধারায় চার বছর করে এবং প্রতারণার ধারায় তিন বছরের সাজা হয়েছে তাদের। তিন ধারার সাজা পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে; ফলে তাদের সবাইকে ১১ বছর করে জেলে কাটাতে হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের এ মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী আজাদ রহমান। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী এবং ফারুক আহাম্মদ।

আরও পড়ুন:  মানব পাচারের সহজ রুট কক্সবাজার

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ২০২০ সালের মার্চে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের দায়িত্ব নিয়েছিল ওভাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার।

কিন্তু জুনের শেষ দিকে অভিযোগ আসে, সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথকেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে টাকা নিচ্ছিল জেকেজি। নমুনা পরীক্ষা না করে রোগীদের ভুয়া সনদও তারা দিচ্ছিল।

এ রকম বুথে বসিয়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা সংগ্রহ করত জেকেজি হেলথকেয়ারএরকম বুথে বসিয়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা সংগ্রহ করত জেকেজি হেলথকেয়ার রাজধানীর কল্যাণপুরের কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ২২ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের সাবেক গ্রাফিক ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজীলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে তাদের কম্পিউটার থেকে চার প্রবাসীরসহ ৪৩ জনের নামে তৈরি করা করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া সনদ পাওয়া যায়।
পর দিন কামাল হোসেন বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন ওই দুজনের বিরুদ্ধে। সরকারি নাম ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ, কাজে অবহেলার মাধ্যমে জীবন বিপন্নকারী রোগের সংক্রামণ বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি, করোনাভাইরাসের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয় সেখানে।

হুমায়ুন ও তার স্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে তেজগাঁও থানা পুলিশ জেকেজির সিইও আরিফুল চৌধুরী, তার বোন জেবুন্নেছাসহ সাতজনকে গ্রেফতার করে।

পরে ১২ জুলাই জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক সাবরিনাকেও গ্রেফতার করা হয়। সরকারি চাকরিতে থাকাবস্থায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সর্বশেষ - রাজনীতি

//thaudray.com/4/5519413
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
izmit escort kadıköy escort ataşehir escort rize escort uşak escort amasya escort samsun escort ankara escort diyarbakır escort
sincan evden eve nakliyat