1. jumel@todaybd24.com : J BD : J BD
  2. admin@todaybd24.com : Rumel Ahmed : Rumel Ahmed
  3. maalamshuvo95@gmail.com : বিনোদন রিপোর্টার : বিনোদন রিপোর্টার
  4. reporter@todaybd24.com : টুডে বিডি : টুডে বিডি
  5. Smsnewsbdofficial@gmail.com : todaybd24 :
মহানবী সা.-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কনকারী সেই কুখ্যাত কার্টুনিস্টের অজানা রোগে করুণ মৃত্যু ! - টুডে বিডি ২৪

মহানবী সা.-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কনকারী সেই কুখ্যাত কার্টুনিস্টের অজানা রোগে করুণ মৃত্যু !

  • সময় : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ৭৪ জন দেখেছেন

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন তৈরির জন্য কুখ্যাত সেই ডেনিশ আর্টিস্ট কার্ট ওয়েস্টারগার্ড দীর্ঘ মেয়াদি অজানা শারীরিক রোগে ভুগে অবশেষে মৃত্যুবরণ করেছেন।

রবিবার (১৮ জুলাই) এই কুখ্যাত ইসলাম ও নবী বিদ্বেষী কার্টুনিস্টের মৃত্যু হয়। ডেনিশ পত্রিকা বার্লিংস্কে দেওয়া তার পরিবারের সাক্ষাৎকারে জানা যায়,

তিনি দীর্ঘ মেয়াদি জটিল শারীরিক রোগে ভুগছিলেন এবং তার আত্মগোপনে যাওয়া ঠিকানাতে ঘুমের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়ে যায়। এই কুখ্যাত কার্টুনিস্ট তার নবী বিদ্বেষী ১২টি কার্টুন সিরিজের কারণে সর্বপ্রথম বিশ্বজুড়ে সবার দৃষ্টিতে আসেন।

তার প্রকাশিত ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের ফলে ২য় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সর্বপ্রথম গভীর পররাষ্ট্র সংকটে পড়েছিলো ডেনমার্ক। ২০০৫ সালে কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ডেনিশ পত্রিকা জিল্যান্ডস-পোস্টেন

‘দা ফেস অফ মুহাম্মাদ’ শিরোনামে তার সেই নবী বিদ্বেষী ১২ টি ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন সর্বপ্রথম প্রকাশ করে, যার মধ্যে বোমার আদলে কালো পাগড়ি পরিহিত কার্টুনটি বিশেষভাবে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিলো। ২০০৫ সালের শেষদিকে কার্টুন সিরিজটি প্রকাশের পর প্রথমে তা বিশ্ববাসীর অগোচরে ছিলো। কিন্তু তা প্রকাশের ২ সপ্তাহে দেশটির মুসলিম বাসিন্দারা রাজধানী কোপেনহেগেনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে তা বিশ্ববাসীর নজরে আসে।

ডেনমার্কে থাকা মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রদূতরা পরবর্তীতে ২০০৬ সালের শুরুতে একটি বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে তার তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

জানা যায়, হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওই ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো ওই রাষ্ট্রদূতদের বিক্ষোভের কারণে ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুহুর্তের মধ্যে মুসলিম বিশ্বে ডেনমার্ক বিরোধী তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠেছিলো। এমনকি ক্ষোভ এত চরমে পৌঁছেছিলো যে, মুসলিম বিশ্বে থাকা ডেনমার্ক ও নরওয়ের দূতাবাসগুলোতেও হামলা করা হয়েছিলো।

এই অবস্থায় কয়েক ডজন লোক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিলো তখন। ওই ঘটনা ডেনমার্ক ও অন্যান্য দেশের ইসলাম বিদ্বেষ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও ইসলাম ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে সেদেশের মুসলিমদের উপর চাপিয়ে দেওয়া কঠোর নীতিমালার ব্যাপারে চরম বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলো।

২০১২ সালে আরেক ইসলাম বিদ্বেষী রাষ্ট্র ফ্রান্সের ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশক সাপ্তাহিক পত্রিকা চার্লি হেবডো ওই কার্টুনগুলো তাদের পত্রিকায় পুনঃপ্রকাশ করে, যার জেরে ২০১৫ সালে তাদের অফিসে হামলা হয় এবং ১২ জন মানুষ মারা যায়।

প্রসঙ্গত ইসলাম ও নবী বিদ্বেষী কুখ্যাত কার্টুনিস্ট কার্ট ওয়েস্টারগার্ড ৮০ ‘র দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ডেনিশ পত্রিকা জিলল্যান্ডস-পোস্টেনে কার্টুনিস্ট হিসাবে কাজ করছিলেন।

দৈনিক বার্লিংস্কের তথ্যমতে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ব্যাঙ্গ করা তার চিত্রকর্মগুলো ২০০৬ সালের আগেও একবার প্রকাশিত হয়েছিলো কিন্তু তখন তা লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলো।

ওয়েস্টারগার্ড ও নবীর ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের সাথে সংশ্লিষ্টদের উপর ২০০৮ ও ২০০১০ সালে বেশ কয়েকবার প্রাণঘাতী হামলা চেষ্টা হওয়ায় গোপন ঠিকানায় পুলিশী নিরাপত্তায় রেখেছিলো ডেনিশ সরকার।

সূত্র: আল জাজিরা

আরো পড়ুন: রেডিওতে শুনে শুনে কোরাআনের হাফেজ হলেন ফিলিস্তিনের মরু রাখাল সালামাহ আলি !

সালামাহ আলি ফিলিস্তিনের মরুভূমিতে বাস করেন। তিন একজন মরু রাখাল। মরুর বুকে ছাগল চড়িয়ে বেড়ান। আর এই ছাগল চড়াতে চড়াতে রেডিওতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত শুনতেন।

এদিকে কয়েক বছর যাবৎ এভাবে রেডিও শুনে শুনে পবিত্র কোরআনের হেফজ সম্পন্ন করেছেন সালামাহ। বয়স ৬০ পেরোলেও অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন আত্মস্থ করেছেন তিনি।

সে ঘটনা জানুন তার নিজের বর্ণনায়। এ ব্যাপারে আলহাজ সালামাহ বলেন, ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় পবিত্র কোরআন হেফজ শুরু করার চার বছর পর তা সমাপ্ত হয়। কারণ আমাদের এলাকায় কোনো হাফেজ কিংবা হেফজখানা নেই। হেফজের সময় পেছনের পাঠ পুনরায় পড়া খুবই জরুরি।

নতুবা পঠিত সবকিছু ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে রেডিওতে কোরআন শোনার ব্যবস্থা আমাকে অনেক বেশি সহায়তা করে। রেডিওতে কোরআন তেলাওয়াতের সময় সম্পর্কে আমি জানতাম।

তখন আমিও তাদের সঙ্গে শুনে শুনে কোরআন পাঠ করতাম। এভাবে তা শুনতে শুনতে আমার বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শেখা হয়ে যায়।

তার ভাষায়, আমি মূলত নিজের ছাগল চড়ানোর সময় রেডিওতে কোরআন তেলাওয়াত শুনতাম। এভাবে আমি তাজবিদের সব রীতি-নীতি আয়ত্ত করি।

ফলে অত্যন্ত বিশুদ্ধ ও সুন্দরভাবে কোরআন পড়া শিখে ফেলি। তিনি আরও বলেন, অধ্যয়নের প্রতি নিজের প্রবল আগ্রহ কোরআন হেফজের ক্ষেত্রে আমাকে সহায়তা করেছে।

ছাগল চরানোর সময় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ভিন্ন এক জগতে চলে যাই আমি। আমার এখন ষাট বছর। কিন্তু আমি এখনও পবিত্র কোরআন বার বার পড়তে থাকি। সালামাহ বলেন, আমি মরুভূমিতে বাস করি, যেখানে কোনো হেফজখানা বা হাফেজ বলতে কিছুই নেই।

তদুপরি কোরআন হেফজের ক্ষেত্রে ‘নিঃসঙ্গতা ও অফুরন্ত অবসর সময়’ আমাকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে। সর্বোপরি মহান আল্লাহর সার্বিক সহায়তা তো আছেই।

সূত্র : ডেইলি সাবাহ

সংবাটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ

© All rights reserved - 2020 todaybd24.com

Design & Developed By Rumel