1. jumel@todaybd24.com : J BD : J BD
  2. admin@todaybd24.com : Rumel Ahmed : Rumel Ahmed
  3. maalamshuvo95@gmail.com : বিনোদন রিপোর্টার : বিনোদন রিপোর্টার
  4. reporter@todaybd24.com : টুডে বিডি : টুডে বিডি
নবীজর রওজা মোবারকের উপর জানালা কেন? - টুডে বিডি ২৪

নবীজর রওজা মোবারকের উপর জানালা কেন?

  • সময় : বুধবার, ৯ জুন, ২০২১
  • ৪৩ জন দেখেছেন

নবীজর রওজা মোবারকের উপর জানালা কেন?
হযরত ওমর বিন মালেক (র) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, নবীজির ইন্তেকালেরপর একবার মদীনা শরীফে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারনে অসহনীয় গরম আর দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

তাই মদীনাবাসীরা একদিন মুমিনদের মা হযরত মা আয়েশা সিদ্দীকা (র) এর কাছে গিয়ে নিজেদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে বৃষ্টির জন্য দোয়া কামনা করেন।

তখন হযরত মা আয়েশা (র) বলেন, হে মদীনাবাসী তোমরা নবীজর রওজা মোবারকের উপর যে খেজুর গাছের ডাল আছে তা সরিয়ে দাও।এবং অপেক্ষা কর। মদীনাবাসীরা তখন হযরত মা আয়েশা সিদ্দীকা (র) এর পরামর্শ মোতাবেক কাজ করলেন।

নবীজির রওজা মোবারকের উপর থাকে ডাল সরানোর সাথে সাথে হঠাৎ আমরা দেখলাম আকাশ ধীরে ধীরে কালো মেঘে ডাকা শুরু করছে,অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই আকাশ থেকে এমন ভাবে ভারী বর্ষন হতে শুরু করল যে,আমাদের পথ চলা কষ্ট দায়ক হয়ে পডলো।

দীর্ঘ এক সপ্তাহ অনবরত আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ হতে থাকে যা কিছুক্ষনের জন্যেও বন্ধ হয়নি।যা আমাদের ফসল ফলাদির জন্য পর্যাপ্ত ছিল।
এক সপ্তাহ পর,মদীনাবাসীরা আবার মা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (র) এর কাছে গিয়ে বৃষ্টি বন্ধের জন্য দোয়া চায়।

তখন হযরত মা আয়েশা সিদ্দীকা (র) বলেন,নবীজির রওজা মোবারকের উপর খেজুর গাছে ডাল পূর্বের মত দিয়ে দাও,বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যাবে।
মদীনাবাসীরা তাই করলো,সাথে সাথে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেলো।

( সুত্র:- আবু দাউদ শরীফ:-১২৫৮..ইবনে মাজা:-৬০২…দারেমী:- ৯২৭)
*এখনো পর্যন্ত হাদীসের এই ধারাবাহীকথাই যখনি কঠিন অনাবৃষ্টি দেখা দেয়,তখন নবীজির রওজা মোবারকের উপর এই জানালা খুলে দিলে আল্লাহর হুকমে সাথে সাথে বৃষ্টি হতে থাকে। সুবহানআল্লাহ

আরো পড়ুন-মায়ের দোয়া আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে

মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে লন্ডনের এক কনফারেন্সে পবিত্র কাবা শরীফের এক ইমাম আল কালবানি এই কাহিনী বর্ণনা করেন।

এতে তিনি তার জীবনের একটি বাস্তবতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার উপর কোনো কারণে রেগে গিয়ে তার মা আল্লাহর কাছে যে দু‘আ করেছিলেন তাই তার জীবনে সত্যে পরিণত হয়েছে।

‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে ছোটবেলায় ইমাম কালবানি খুব দুষ্ট প্রকৃতির ছিলেন বলে জানালেন। দুষ্টুমি করে প্রায়শই তিনি মাকে রাগাতেন।

কিন্তু তার মা ছিলেন খুবই দ্বীনদার একজন মহিলা, তিনি জানতেন আল্লাহর কাছে দু‘আর কী শক্তি। তিনি দু‘আ করাটা তার অভ্যাসে পরিণত করেছিলেন। ছেলের উপর যখনি রেগে যেতেন তখনি তিনি বলতেন, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে পথ দেখান!

আর তিনি যেন তোমাকে কাবার ইমাম বানান!’ ইমাম আল কালবানি বললেন, ‘আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করেছেন এবং আমি আজ কাবার ইমাম।’ কালো মানুষ শাইখ আদিল আল কালবানি পারস্য উপসাগরীয় এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান।

নিউইয়র্ক টাইমস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে শাইখ কালবানি বলেছেন, ‘মসজিদুল হারামের নামাজের ইমামতি করা অসাধারণ সম্মানের, আর এই কাজ শুধুমাত্র আরব ভূখণ্ডের আরবদের জন্যই নির্ধারিত।’

ইমাম বলেন, যখন আপনার সন্তান খারাপ আচরণ করবে তখন তাকে গালমন্দ করবেন না। এতে বিপর্যয় ঘটতে পারে।

আমি একজনকে জানি যিনি তার ছেলেকে বলেছিলেন— ‘যাও মর’, অতঃপর তিনি সেটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, যখন সেই দিনই তার ছেলে মারা যায়। সুবহানআল্লাহ!

প্রিয় সন্তানের পিতা ও মাতাগণ! আপনাদের ভাষা সংবরণ করুন। আপনার ছেলে-মেয়েদের জন্য ভাল দু‘আ করার অভ্যাস তৈরি করুন, এমনকি যখন আপনি অনেক রেগে যান তখনও তার জন্য দু‘আ করুন।

‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তিনটি দু‘আ আল্লাহ কখনও প্রত্যাখ্যান করেন না,

ছেলেমেয়েদের জন্য তার পিতামাতার দু‘আ, রোজাদারের দু‘আ এবং মুসাফিরের দু‘আ’। (বায়হাকী, তিরমিযী, হাদীসটি সহীহ সূত্রে বর্ণিত)

বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ জাপানী তরুণীর

একসময় হতাশায় ছিলাম। ভাবতাম জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর জীবনের মর্ম বুঝেছি।

আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমার এ জীবন। এই কথা গুলো বলেছেন জাপানি এক তরুণী যিনি বৌদ্ধ ধর্মানুসারী ছিলেন পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

জাপানি ওই তরুণীর নাম নুর আরিসা মরিয়ম। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তবে শিশুকাল থেকে বেড়ে উঠেছেন টোকিওতে।

ইসলাম গ্রহণের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, টোকিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মেজর বিষয় ছিল মালেশিয়ান স্টাডিজ।

এবং এতে একটি লেকচারে একজন হিজাবি মুসলিম নারীর বিষয় পড়ানো হয়।এসময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারি এরপর অনেক মুসলিমদের সঙ্গে আমি দেখা করি এবং একপর্যায়ে আবিষ্কার করি শান্তির জন্য ধর্ম হল ইসলাম।

আরিসার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিসয়টি ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি তার মা। তবে একপর্যায়ে তিনি তা মেনে নেন। আরিসা বলেন, আমি জানি আমার জীবনে এখনও অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা।

সংবাটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ

© All rights reserved - 2020 todaybd24.com

Design & Developed By Rumel