1. jumel@todaybd24.com : J BD : J BD
  2. konok@todaybd24.com : কনক সরকার : কনক সরকার
  3. rashed@todaybd24.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  4. admin@todaybd24.com : Rumel Ahmed : Rumel Ahmed
  5. maalamshuvo95@gmail.com : বিনোদন রিপোর্টার : বিনোদন রিপোর্টার
  6. reporter@todaybd24.com : টুডে বিডি : টুডে বিডি
  7. Smsnewsbdofficial@gmail.com : todaybd24 :
  8. Tuli@todaybd24.com : Tuli Saha : Tuli Saha
৪১ বছর ধরে অবহেলিত ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর

৪১ বছর ধরে অবহেলিত ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর

  • সময় : মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
f1633841653

৪১ বছর ধরে উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এটি এখন একটি গো-চারণভূমি। কিছু জমিতে হচ্ছে চাষাবাদ। রানওয়ে ফসল শুকানোর কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, এভাবে ফেলে না রেখে বিমানবন্দরটি চালু করা হোক।

0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U

এতে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, খানসামা ও বোচাগঞ্জসহ ১৩টি উপজেলার মানুষকে ঘুরপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যেতে হবে না। বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পাবেন এ এলাকার মানুষ। এ অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে আসবেন শিল্পপতি-ব্যবসায়ীরা।

0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U

জানা যায়, ১৯৪০ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে শিবগঞ্জ এলাকায় ৫৫০ একর জমির ওপর ছোট্ট এ বিমানবন্দরটি নির্মিত হয়। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনী হামলা চালালে বিমানবন্দরের রানওয়েটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিমানবন্দরটি সংস্কার করা হয় এবং কয়েক বছর কিছু বাণিজ্যিক ফ্লাইটও পরিচালিত হয়।

0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U
0pgwf5U

ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরটির রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী মকবুল হোসাইন জানান, ১৯৮০ সালে লোকসানের কারণ দেখিয়ে বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে দাবির মুখে ১৯৯৪ সালে পুনরায় বিমান চলাচল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে রানওয়ে, টার্মিনাল ভবন ও বিদ্যুতায়নের কাজসহ নানা সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়। ওই সময় অ্যারো বেঙ্গল ও বোরাকসহ ছয়টি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে ঢাকা-ঠাকুরগাঁও রুটে স্টল বিমান সার্ভিস চালুর জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি হয়। পরে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। এর কিছুদিন পর স্টল বিমান সার্ভিস চালুর প্রক্রিয়াও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। অব্যবহৃত বিমানবন্দরটিকে দেখভালের জন্য তিনি কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, উত্তরের অবহেলিত জেলা হলো ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ অঞ্চলে তেমন কোনো বড় শিল্পকারখানা গড়ে ওঠেনি। এর একমাত্র কারণ অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। রাজধানীর কোনো শিল্পোদ্যোক্তা এ কারণেই এই দুটি জেলায় ভারী কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেননি। বিমানবন্দরটি চালু হলে এই এলাকায় শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে। এতে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মনতোষ কুমার দে বলেন, বিমানবন্দরটি চালু হলে শুধু ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষই সুবিধা ভোগ করবে না; আশপাশের কয়েকটি জেলার মানুষও এর সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

ঠাকুরগাঁও চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোদাচ্ছের হোসেন বলেন, বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু হলে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের মানুষকে আর ঘুরপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যেতে হবে না।

ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি হাবিবুল ইসলাম বাবলু বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ঢাকার ব্যবসায়ীরা এ অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে আগ্রহী নন। বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু হলে এ এলাকায় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এতে মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কার্গো বিমান চালু হলে অন্য জেলা থেকে মালামাল পরিবহণ করা যাবে এবং এ এলাকার মালামাল সহজে ও কম খরচে বিভিন্ন জেলাসহ বহির্বিশ্বে পাঠানো যাবে।

ঠাকুরগাঁও বিসিক উপব্যবস্থাপক নূরেল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী এখানে ৫০ একর জমির ওপর কৃষি ভিত্তিক (খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ) শিল্পকারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া অল্প সময়ের মধ্যে ইকোনমিক জোনেরও কাজ শুরু হবে। চ্যালেঞ্জিং দুনিয়ায় বিমান এখন আর বিলাসিতা নয়, এসব বিবেচনায় ঠাকুরগাঁওয়ের বিমানবন্দরটি চালু করা জরুরি।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হোসেন বলেন এ জেলা ফল-ফসলে সমৃদ্ধ। উৎপাদিত কৃষিপণ্য দ্রুত সময়ে বাজারজাতের জন্য বিমানবন্দরটি চালু করা প্রয়োজন।

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহম্মদ সাদেক কুরাইশী বলেন, ‘বিমানবন্দরটি চালু হলে অন্য জেলা থেকে শিল্পপতিরা এখানে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে আগ্রহী হবে।’

উল্লেখ যে, ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি সাবেক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ এলাকায় বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন। ওই সময় তিনি বিমানবন্দরটি চালুর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। এ ব্যাপারে ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন উপস্থাপনের কথা বলেন তিনি। কিন্তু এরপর কি হয়েছে তা আজও অজানা।

সংবাটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ

© All rights reserved - 2020 todaybd24.com

Design & Developed By Rumel
Translate »