ফুটপাত যেন ‘সোনার ডিম’ | টুডে বিডি ২৪
বৃহস্পতিবার , ৫ মে ২০২২ | ১৮ই আশ্বিন ১৪২৯
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আয় করুন
  4. আলোচিত সংবাদ
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্টগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. টিপস
  11. ঢাকা
  12. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. নিউজ
  15. প্রেরণা
সর্বশেষ খবর টুডে বিডি ২৪ গুগল নিউজ চ্যানেলে।
   

ফুটপাত যেন ‘সোনার ডিম’

                                           প্রতিবেদক
News Desk
মে ৫, ২০২২ ১১:২১ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জে সদ্যসমাপ্ত রমজান মাসে নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে থাকা প্রায় ৮ হাজার হকারের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। এদের মধ্যে শুধুমাত্র কয়েক হাজার মৌসুমি হকারের কাছ থেকেই রোজার ১ মাসের জন্য ‘সেলামি’ বাবদ উঠেছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

ফুটপাতের এই চাঁদা ও সেলামির ভাগ গেছে পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা, হকার নেতা, ছিঁচকে সন্ত্রাসীদের পকেটে। গেল রোজায় নগরীজুড়ে কয়েক হাজার হকারদের কারণে লাখ লাখ মানুষের জীবনযাত্রা যেমন ছিল দুর্বিষহ তেমনি তীব্র যানজটের কারণে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সবার। তবে রহস্যজনক কারণে হকার প্রসঙ্গে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা।

রমজানজুড়ে খোদ নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার আশপাশে কমপক্ষে ১ হাজার হকার বসলেও সদর থানার ওসি শাহজামান উল্টো বলেছেন- ‘আমরা প্রতিদিনই হকার উচ্ছেদ করছি’।

অভিযোগ রয়েছে, নগরীর ২নং ও ১নং রেলগেট এলাকার হকারদের টাকা নিতে রীতিমতো এলাকা ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন সরকারি দলের কয়েক নেতা। এদের মধ্যে বামপন্থি রাজনীতি করেন এমন এক নেতাও রয়েছেন, যিনি নাসিকের একজন কাউন্সিলরের পিএস পরিচয় দিয়ে থাকেন।

জানা গেছে, প্রতি বছরই ঈদকে কেন্দ্র করে রমজানের শুরু থেকেই প্রায় ৫ হাজার নিয়মিত হকারের পাশাপাশি পুরো নগরী দখল করে রাখে কমপক্ষে আরও ৩ হাজার মৌসুমি হকার। করোনার কারণে ২ বছর পর প্রাণখুলে ঈদ উদযাপনের জন্য বিশেষ করে যানজট নিরসনের জন্য শুরু থেকেই নগরবাসীর আহবান ছিল জেলা পুলিশের প্রতি।

সেই কথা মাথায় রেখে গত ৩০ মার্চ পবিত্র রমজান মাসে নগরবাসীকে যানজটের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা পুলিশকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান।

ওই চেক প্রদান অনুষ্ঠানে এমপি সেলিম ওসমান পুলিশের প্রতি অনুরোধ রেখে বলেন, রমজান মাসে যাতে নগরবাসীকে যানজটের দুর্ভোগ না পোহাতে হয়, ফুটপাতে যেন কোন দোকানপাট বসতে না পারে সে ব্যাপারে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ঘটনার ২ দিনের মাথায় রীতিমতো ঢাকঢোল পিটিয়ে মাঠে নামে জেলা পুলিশের কর্তারা। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় তারা ফুটপাত হকারমুক্ত করে নগরীর চিত্র বদলে ফেলেন। জাতীয় গণমাধ্যমে পর্যন্ত উঠে আসে পুলিশের প্রচেষ্টায় এ যানজটমুক্ত নারায়ণগঞ্জ নগরীর চিত্র। কিন্তু মাত্র ৭ দিনের মাথায় নারায়ণগঞ্জ চলে আসে সেই চেনা রূপে। ফুটপাতের হাজার হাজার হকার রীতিমতো নাভিশ্বাস তোলে নগরবাসীর। মাত্র ১০ মিনিটের হাঁটা রাস্তা পাড়ি দিতে নগরবাসীর সময় লাগে প্রায় ৪০সরেজমিন জানা গেছে, গেল ঈদকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু রোডের চাষাঢ়া এলাকা থেকে ২নং রেলগেট হয়ে ডিআইটি পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে অবস্থান নিয়েছিল কমপক্ষে ৪ হাজার হকার। এর মধ্যে জামা কাপড়, জুতা, ক্রোকারিজ, মসলা আর শুটকির দোকান থেকে শুরু করে যৌনবর্ধক নিষিদ্ধ ওষুধের দোকান পর্যন্ত বসানো হয়েছিল ফুটপাতে।

আরও পড়ুন:  টাকা ছাড়াই ঈদের কেনাকাটা!

নগরীর সলিমুল্লাহ সড়কে হকারের এতটাই আধিক্য যে, এই সড়কে গত ২২ রমজান থেকে যানবাহন চলাচল অনেকটাই ছিল বন্ধ। এছাড়াও শহরের কালীরবাজার, ১নং রেলগেট, ফলপট্টি, টানবাজার, ২নং রেলগেট এলাকায় বসেছিলেন আরও প্রায় ৪ হাজার হকার।

নগরীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় শত শত হকারের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে আলাপ করে জানা গেছে চমকপ্রদ তথ্য।

চাষাঢ়া রাস্তার পাশে ফুটপাতে ছেলেদের শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট বিক্রি করেছেন মৌসুমি হকার আলমগীর। তিনি জানান, এখানে ৪ ফিট বাই ৩ ফিট জায়গা নিতে আমাকে রমজান মাসের জন্য ১৭০০ টাকা দিতে হয়েছে। বেচাকেনা হোক বা না হোক, প্রতিদিনই পুলিশকে দিতে হয়েছে ১০০ টাকা আর হকার নেতাদের ১০০ টাকা। এছাড়া এলাকাভিত্তিক ছিঁচকে নেতাদেরও টাকা দিতে হচ্ছে।

আলমগীরের মতো অনেকেই ছিলেন এখানে মৌসুমি হকার। তারা জানিয়েছেন, যারা নিয়মিত হকার তাদের এই সেলামি দিতে হয় না, তবে হকার নেতা ও পুলিশকে টাকা দিতে হয়। সেলামির টাকা ব্যবসার প্রকার ভেদে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকাও হয়।

কথা বলে জানা গেছে, চাঁদার টাকার পরিমাণেও ভিন্নতা রয়েছে। যারা শরবত বিক্রি করেন তাদের দিতে হয় ৫০ থেকে ৮০ টাকা। যারা ডিম বিক্রি করেন তাদের দিতে হয় ১০০ থেকে ১২০ টাকা। যারা একটু বড় করে জামা-কাপড় বিক্রির পসরা সাজান, তাদের দিতে হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। হকারদের দাবি পুলিশের পাশাপাশি এই চাঁদা যায় বেশ কয়েকজন হকার নেতা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার পকেটে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ২নং রেলগেট এলাকার কয়েকজন হকার নেতা জানান, এই এলাকার ফুটপাত বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা আছে। শহরের সৈয়দ আলী চেম্বার, ফজর আলী টাওয়ার এলাকা ভাগাভাগি করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের প্রথমসারির ২ নেতা। এছাড়া নগরীর ১৫নং ওয়ার্ডের বেশ কিছু এলাকার হকারের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলেন বামপন্থি এক নেতা, যিনি নিজেকে এক কাউন্সিলরের পিএস পরিচয় দিয়ে থাকেন।

এছাড়া নগরীর একটি বড় অংশের চাঁদা উত্তোলনের দায়িত্বে থাকেন ১০ জন হকার নেতা। এরা হলেন- হকার সমিতির সভাপতি রহিম মুন্সী, কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার মুন্সী, হকার নেতা দুলাল মুন্সী, আসাদ, তার শ্যালক আলী, মিলন, মহসীনসহ কয়েকজন। যারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ফুটপাতের এরিয়া অনুযায়ী চাঁদা উত্তোলন করে থাকেন। মিনিট।

 

সর্বশেষ - বাংলাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দীপিকা কাকর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন

দেবের গোপন তথ্য ফাঁস করলেন রুক্মিণী

শেহজাদ খান বীর আমার ও শাকিব খানের সন্তান : বুবলী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তেলের ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের পথে রেল বন্ধ

বিএনপিকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

অবশেষে নূপুরের বিরুদ্ধে মামলা হলো মহানবীকে নিয়ে কটুক্তি করায়

ঈদে যেভাবে পরীমনির আশা পূরণ করলেন রাজ

ফলাফল খারাপ করায় মায়ের বকুনিতে অভিমান করে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

মাদ্রিদে বাংলাদেশিদের পরিচালনায় আরও একটি মসজিদ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তীব্র গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। গ্যাস না থাকায় তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে ছোট-বড় প্রায় অর্ধশত রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানার উৎপাদন। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন কারখানার মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টরা। উৎপাদন ১০ ভাগে নেমে আসায় বৈদেশিক ক্রয়াদেশ বাতিলের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। জানা গেছে, বন্দরে ছোট-বড় শতাধিক গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানা রয়েছে। এর মধ্যে টোটাল ফ্যাশন, জামালউদ্দিন টেক্সটাইল মিল, জাহিন নিটওয়্যার, ইপিলিয়ন গ্রুপের গার্মেন্টসহ মদনপুর থেকে লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত রয়েছে শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রায় ৫০টির বেশি কারখানা। গ্যাস না থাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত সোমবার থেকে কামতাল এলাকার টোটাল ফ্যাশন, মদনপুরের জাহিন নিট ওয়্যারসহ কয়েকটি কারখানায় গ্যাস নেই। ফলে তিন দিন ধরে ওই সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ভুক্তভোগী মালিকরা জানান, গ্যাস হচ্ছে তাদের কারখানার প্রধান জ্বালানি শক্তি। গ্যাস না থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। কারখানা বন্ধ হলে বেকারত্ব বেড়ে যাবে। তাই গ্যাস সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হবে। না হলে অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। পূর্বাঞ্চল শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি ও জাহিন নিটওয়্যারের মালিক এম জামালউদ্দিন জানান, কয়েক মাস ধরে গ্যাস সংকট চলছে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সময়মতো পোশাক রপ্তানি করা সম্ভব হবে না। এতে বিদেশি ক্রেতা হারাবে ফ্যাক্টরিগুলো। সেই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ব্যাহত হবে। বর্তমানে কারখানাগুলোতে গ্যাসের জন্য হাহাকার অবস্থা বিরাজ করছে। উৎপাদন ১০ ভাগে নেমে এসেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেওয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে। এ নিয়ে মালিক শ্রমিক সবাই শঙ্কিত। এ ব্যাপারে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ডিএমডি প্রকৌশলী ইমামউদ্দিন শেখ জানান, সারা দেশেই গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। এটি একটি জাতীয় সমস্যা। মূল সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ অনেক কম থাকায় কারখানাগুলো গ্যাস পাচ্ছে না। এ থেকে উত্তরণের পথ খোঁজা হচ্ছে।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Copy link
Powered by Social Snap