দিনাজপুরে বাড়ছে মাদ্রাজি জাতের ওলকচুর চাষ | টুডে বিডি ২৪
বৃহস্পতিবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২১শে আশ্বিন ১৪২৯
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আয় করুন
  4. আলোচিত সংবাদ
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্টগ্রাম
  8. জাতীয়
  9. জেলার খবর
  10. টিপস
  11. ঢাকা
  12. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. নিউজ
  15. প্রেরণা
সর্বশেষ খবর টুডে বিডি ২৪ গুগল নিউজ চ্যানেলে।
   

দিনাজপুরে বাড়ছে মাদ্রাজি জাতের ওলকচুর চাষ

                                           প্রতিবেদক
Jumel Ahmed
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২ ৬:৫০ অপরাহ্ণ

প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা স্থানীয় জাতের ওলকচু বাড়ির আশপাশে চাষ করে আসছেন অনেক কৃষক। আবার অনেকে উন্নত জাত ও ফলনের জন্য ওলকচু চাষ করছেন। কিন্তু, দিনাজপুরের খানসামায় পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, অনেক রোগ নিরাময় করে এমন লাভজনক ও উন্নত মাদ্রাজি জাতের ওলকচু চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।

আরও পড়ুন:  দালান ঘরে ঈদ করা ছিল আকাশ কুসুম কল্পনা’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরী সহায়তা ও পরামর্শে অল্প খরচে অধিক মুনাফা করে স্বপ্ন পূরণ করেছেন খানসামার কৃষাণ-কৃষাণীরা। ফলে বাণিজ্যিকভাবে ওলকচুর চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। পুষ্টিসম্মত খাদ্য হিসেবে বাজারে চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত বছর খানসামা উপজেলায় প্রথমবারের মত মাদ্রাজি জাতের ওলকচুর চাষ হয়। সেই সাফল্য দেখে এবং কৃষি বিভাগের প্রচারণায় এ বছর বেড়েছে ওলকচু চাষ। খানসামার মাটি ওলকচু চাষের উপযোগী ও কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া যায়। ফলে নতুন নতুন চাষিও এতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খানসামা উপজেলার ১৫ জন কৃষককে ওলকচু চাষে সহায়তা করে কৃষি বিভাগ। এছাড়াও অনেকে স্ব উদ্যোগে চাষ করছেন। উপজেলায় ৪ একর জমিতে ওলকচু চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।
সরেজমিনে দেখে যায়, কৃষকরা এখন ওলকচু তুলছেন। এ ওলকচু বাজারে প্রতিকেজি ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

খামারপাড়া গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, দেশিজাতের ওলকচুর চেয়ে মাদ্রাজি জাতের কচুতে লাভ বেশি। কৃষি বিভাগের সহায়তায় ২০ শতক জমিসহ নিজ উদ্যোগে আমি ৪০ শতক জমিতে ওলকচু চাষ করেছি। এতে খরচ হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। ফলন হয়েছে ২ হাজার কেজি। যা বর্তমান বাজারমূল্যে বিক্রি করলে প্রায় আড়াই লাখ টাকা পাওয়া যাবে। এতে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম খরচে অধিক লাভ।

খানসামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বাসুদেব রায় বলেন, এটি পুষ্টি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ সবজি। উপজেলার মাটি ওলকচু চাষের জন্য উপযোগী। উপজেলায় ২০২০-২১ অর্থবছর প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ওলকচুর চাষ হয়। ওলকচু চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় চাষের জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকরা ভালো ফলন এবং ভালো বাজার মূল্য পাবেন। তাই চাষ আরও বাড়বে।

সর্বশেষ - জাতীয়

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Copy link
Powered by Social Snap